ব্লগ আর্কাইভস

সাধারণ কিছু আয়াত, অসাধারণ সব লুকানো তথ্য

কু’রআনের আয়াতগুলো ভাষাতত্ত্ববিদদের জন্য তথ্যের খনি। আল্লাহ খুব সাধারণ দেখতে কিছু আয়াতে, সাধারণ কিছু গল্প বা কথোপকথনের মধ্য দিয়েই অসাধারণ সব তথ্য প্রকাশ করেন। যেমন, নিচের আয়াতটি দেখুন যেখানে আল্লাহ আমাদেরকে একটি স্ত্রী পিঁপড়ার একটি মাত্র কথার মধ্য দিয়ে পিঁপড়াদের সম্পর্কে কত ধরণের তত্থ্য দিয়েছেনঃ

আর যখন তারা পিঁপড়াদের উপত্যকায় পৌছিয়েছিল, একটি পিঁপড়া(স্ত্রী) বলেছিল, “হে পিঁপড়ারা, তোমাদের ঘরগুলোতে প্রবেশ কর, যাতে করে সুলায়মান এবং তার বাহিনী তোমাদেরকে না বুঝে পিষে না ফেলে”। (২৭:১৮)

আপনার কাছে মনে হবে, এতো ছোটদের কোন গল্পের বইয়ের লাইন মনে হচ্ছে। পিঁপড়া আবার কথা বলে নাকি? এখানে পিঁপড়াদের সম্পর্কে আল্লাহ নতুন কিই বা জানালেন আমাদেরকে যেটা আমরা জানি না?

লক্ষ্য করুন, এই আয়াতে আল্লাহ আমাদেরকে পিঁপড়াদের সম্পর্কে কতগুলো তথ্য দিয়েছেনঃ Read the rest of this entry

আল্লাহর কাছে চিন্তা এবং বিচার-বুদ্ধির গুরুত্ব

আমরা অনেকে মনে করি কু’রআন হচ্ছে একটি উচ্চ মর্গের ধর্মীয় এবং ইতিহাস গ্রন্থ যা আমরা আরবিতে কিছুই না বুঝে নিয়মিত গুনগুণ করবো এবং আমাদেরকে আমাদের মুরব্বীরা এবং আলেমরা যা বলবেন, সেটাই আমরা কোন রকম চিন্তা ভাবনা না করে অনুসরণ করবো। কু’রআন হচ্ছে আলেমদের জন্য, সাধারণ মানুষদের জন্য নয়। আমাদের কু’রআন নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে; যেখানে লক্ষ লক্ষ আলেম আছেন যারা নিয়মিত বই লিখে, লেকচার দিয়ে আমাদেরকে কু’রআনের বাণী পৌঁছে দিচ্ছেন, সেখানে আমাদের কু’রআন পড়ার কি দরকার? যদি আমরা কু’রআন পড়ে ভুল বুঝি? অনেকে ভাবেন – ধর্ম আসলে পুরোটাই বিশ্বাসের ব্যাপার, এখানে যুক্তি তর্কের কোন জায়গা নেই। বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। ধর্ম হচ্ছে কিভাবে চলবো, কিভাবে কথা বলব, কি খাবো, কি পরবো, কিভাবে পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করবো – এ পর্যন্তই। যারা ধর্ম থেকে দূরে সরে যায়, তারাই বিজ্ঞান, গণিত, সাহিত্য, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে মাথা ঘামায় এবং তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে, যা কিনা দোয়া দুরুদ পড়ে আখিরাতের কাজে লাগানো যেত। ধর্ম অনুসরণ করা মানেই হচ্ছে নিজের জানার আগ্রহ, জ্ঞান চর্চা, ব্যবসা-বাণিজ্য, জীবনে সফল হবার চেষ্টা – এই সবকিছু থেকে দূরে সরে গিয়ে দিনরাত ধর্মীয় কাজগুলো করা। ধর্মের কোন কিছু প্রশ্ন না করে তা আল্লাহর বাণী ধরে নিয়ে সমস্ত সংশয়, সন্দেহ, অনীহা, প্রশ্নকে মনের ভিতরে চেপে রেখে কোন মতে জীবনটা পার করে দিলেই আমাদের জান্নাতের পথ খালাস হয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ ভুল ধারণা! Read the rest of this entry

Moving that Mountain

Dear Reader

I would like you to go on a journey with me right now; a journey where we will imagine a scene. Imagine today, you open your facebook account, and you see 60 notifications and 10 inbox messages. And guess what, it is not just any message, it is messages from your favourite celebrity, whether it is Cristiano Ronaldo if you’re a football fan, Sumon of Aurthohin if you’re a music fan, John Abraham/Aishwarya Rai if your into Bollywood, maybe Tom Cruise/Angelina Jolie if your into Hollywood. I guess you understand what I mean. Just imagine someone who is a celebrity, one you always wanted to get to know, always craved to get a picture with, always wished for an autograph has just sent you a PRIVATE email, inbox message or text. How happy would you be? How pleased would you be?

How pleased would you be my brothers and sisters if you knew that your beloved celebrity now gives you a private meeting time every single day. Facebook status updates to profile pictures to maybe even articles on newspapers, we would do it all, feeling great honour and prestige at being able to be close and connected to this “great” celebrity. In fact if we found someone saying something bad about them or making jokes about we would vehemently defend them and stand up for them while in truth they do not mean anything to us in real life.

On the contrary, many a times when we see a notification or a wall post or an email that is talking of “Quran” or “Islam”, we immediately change screens, sometimes feel absolutely disheartened because we were expecting something “better”, and most probably put it in the trash, delete that tab and forget about it. Brothers and sisters, an important email has been rejected in our community, in our lives and it is not one of these “Quran” emails. It is the Quran itself.  Read the rest of this entry

আমরা কি সবকিছু বুঝে পড়ি ?

একদিন এক মসজিদে নামাজ পড়তে গেলাম সেইখানে আমার পাশে এক মুস্লল্লী খুব সুন্দর কুরআন তেলাওয়াত করছেন, তিনি সূরা ইয়ুসুফ এর কিছু অংশ তেলাওয়াত করলেন। অসাধারণ তেলাওয়াত শুনে আমরা আশেপাশে সবাই মুগ্ধ। এর মধ্যে একজন বুজুর্গ সেই মুসল্লীকে বললেন “আপনি খুব সুন্দর তেলাওয়াত করেছেন কিন্তু আপনিতো ইয়ুসুফ (আঃ) কে কুয়াতে ফেলে রাখলেন উনাকে কুয়া থেকে বের করলেন না কেন”। আসলে এর মধ্যেমে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন কুরআনের অর্থ বুঝে পড়লে তেলাওয়াতে যেমন পরিপূর্ণ রুপ দেওয়া যায় তেমনি এর থেকে অনেক সুফল নেওয়া যায়।

প্রতিদিন আমাদের অনেক কিছুই পড়তে হয়; যা আমাদের শুধু পড়লেই হয়না তা বুঝে আমাদের অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। উদাহারনস্বরূপ যিনি ইংলিশ স্পোকেন ক্লাশ করছেন তার কাছে ইংরেজী সংবাদপত্র পড়ে শব্দতালিকা তৈরী এবং তা বুঝার চেষ্টা করা। একজন গবেষকের কাছে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত গুলোর ফলাফল পড়ে তা থেকে বুঝার চেষ্টা করা পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে। এইরকম আরও অনেক উদাহারণ দেওয়া যাবে যা থেকে খুব সহজেই প্রমানিত হয় মানুষ সবকিছু বুঝতে চেষ্টা করে। এটিকে তাহলে আমরা মানুষের মস্তিষ্কের একটি সাধারণ প্রক্রিয়া বলতে পারি। কিন্তু কুরআন বুঝার বেলায় আমরা কেমন যেন উদাসীন। আমাদের দেশে যদি জরিপ চালানো হয় তাহলে দেখা যাবে ৯৫% বাসায় বাংলা অথবা ইংরেজী অর্থসহ কুরআন পাওয়া যাবেনা। অথচ বাইরের দেশে অনেক অমুসলিমরা এই কুরআন এর অর্থ বুঝে তার থেকে অনেক উপকার পাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আরও অনেক কিছুতে। Read the rest of this entry

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 45 other followers