Category Archives: Lifestyle
আমার কাজে লাগবে এমন কিছু কু’রআনে আছে কি?
কু’রআন সম্পর্কে একটি প্রচলিত ধারণা হল এটি একটি উচ্চ মার্গের ধর্মীয়, নৈতিক, ঐতিহাসিক বই, যাতে মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় বড় জটিল ব্যপারগুলোই শুধুমাত্র বলা আছে। দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে এমন সাধারণ ব্যপারগুলোর জন্য কু’রআন নয়। যেমন আমরা কিভাবে কথা বলব, কিভাবে বেড়াতে যাবো, কি ধরণের কাপড় পরব – এসব খুঁটিনাটি ব্যপারের জন্য কু’রআন নয়। এই ধারণার কারণে অনেকেই কু’রআন থেকে না শিখে আনুসঙ্গিক কিছু ধর্মীয় বই, মনীষীর জীবনী ইত্যাদি পড়ে অনেক সময় নানা ধরণের বিতর্কিত উপদেশ শিখে বিভ্রান্ত হয়ে নিজের, পরিবারের, সমাজের ক্ষতি ডেকে আনেন; যেখানে কিনা স্বয়ং আল্লাহ আমাদেরকে আদেশ করেছেনঃ Read the rest of this entry
আপনার ডেইলি লাইফ আর রমযান মাসের একটি দিন
এই রমযান মাসে আপনি কি করছেন? কিভাবে রমযান মাসকে আপনি সাজাচ্ছেন? এখনতো রমযান আপনার ঘরের মধ্যে; নিজের মধ্যে কোনও পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন কি? নিজেকে একদম অন্যরকম মনে হচ্ছে না?
হ্যাঁ, আপনি নিজেকে একেবারে বদলে ফেলেছেন। একটু লক্ষ্য করে দেখুনতো; রমযান শুরু হওয়ার আগের দিনগুলোতে আপনি কেমন ছিলেন আর এখন কেমন আছেন? এই রমযান মাসে আপনি অনেক কিছু ভাবছেন কোনও কিছু করার আগে। মনে হচ্ছেনা যে; এই কাজটা করলে আপনার রোযার সমস্যা হবে, ওই কাজটা করলে আল্লাহ নারাজ হবেন। আসলে কি জানেন আপনি এমনটাই ভাল যেমনটা আপনি রমযান মাসে থাকেন। খুব অবাক লাগছে না, এই কথা শুনে? রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন -
“আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা রমযান মাসে শয়তানকে বেঁধে ফেলেন”
আর যার জন্য মানুষ এই মাসে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে এবং ভাল ভাল কাজের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তার মানে এই কথাটা থেকে কি বুঝা যায়না, আমরা শয়তানকে আমাদের ডেইলি লাইফে কত প্রশ্রয় দেই? তা না হলে আমাদের তো খারাপ কাজ করার কথা ছিলনা। আসুন দুইটি রিয়েল লাইফ সিনারিও দেখার চেষ্টা করি।
আমাদের সমাজের মেয়েরা যারা ঘরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে গিয়ে থাকে কিন্তু সঠিক ভাবে হিজাব রক্ষা করে না। কার জন্য আমরা এত সেজেগুজে হিজাব ছেড়ে বের হই? নিজের জন্য না, অন্য কাউকে দেখানোর জন্য। আসলে আমরা মাথায় কাপড় দিতে লজ্জা পাই, আবার অনেকে আল্লাহর এই বিধানের ব্যপারে এতই অবাধ্য যে জেনেও আমরা না জানার ভান করি। কারন মানুষ কি বলবে এই ব্যপার নিয়েই আমরা বেশি চিন্তিত। হিজাব করতে আমাদের লজ্জা লাগে কিন্তু চুল খোলা রাখতে বা শরীর দেখাতে লজ্জা লাগেনা; হাস্যকর! আবার অনেক মেয়েকে দেখা যায় হিজাব পরে আছে কিন্তু টাইট ড্রেস পরা।
কিন্তু আমরা যদি একটু ভেবে দেখি তাহলে দেখব Read the rest of this entry
How to not let our ego get too big or our intentions clouded
While the 21st century has come with attacks upon Islam like never before, the numbers of energetic and enthusiastic young people coming towards Islam has dramatically risen. Muslim youth in the darkness of the life of this world suddenly came to find the light of Islam, and those shielded from faith itself are accepting Islam today at a rate never seen before. For all this we say Alhamdulillah.
However, to rest on our laurels and pat on our back would be a grave error, and indeed more so because our arch enemy – Shaytan – is constantly plotting and planning. And among his biggest tricks to deceive the young da’ee or the young student of knowledge is to let his ego inflate and make him arrogant and to cloud his intentions.
When people question these brothers and sisters about Islam, and they show a real “know-it-all” attitude, looking down upon the people and always trying to prove their point by hook or by crook. Arrogance slowly leads to clouding of the intentions whereby the brother or sister is no longer learning and preaching for the sake of Allah but rather they are learning and preaching for the sake of winning arguments, for the sake of defeating their opponents and to prove the fact that they have “more knowledge”. Hence one will see many of them knowing lots about minor issues in Islam on which there is difference of opinion so that he can debate with others and put them down and yet many of the fundamentals of Islam he has no clue of them. One will see them also looking down upon and criticizing scholars and other preachers and in no way, shape or form accept criticism or correction. This, brothers and sisters, is disaster! Read the rest of this entry
জীবন আর সিনেমার খতিয়ান
সাহাবীদের ব্যাপারটি অদ্ভুত। আমি নিশ্চিত যখন সাহাবীদের কথা বলা হয় তখন অনেকেরই মনের মাঝে কিছু অতিমানবের চিত্র রূপায়িত হয়। তারা অসাধারণ ছিলেন কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তারা কি ঠিক অতিমানব ছিলেন? আমাদের হিরো ওয়ার্শিপের যুগে অতিমানবের কনসেপ্ট খুব চালু রয়েছে। এই অতিমানবদের তালিকা অতি দীর্ঘ – কবি, রাজনীতিক, বিজ্ঞানী, খেলোয়াড় থেকে শুরু করে কী নেই তাতে? অতিমানব বলতে আমি তাদের বোঝাচ্ছি যাদের ভালো দিকগুলোকে ফুঁলিয়ে ফাঁপিয়ে বটগাছ বানানো হয় এবং নেতিবাচক দিকগুলোকে দেখেও না দেখার ভান করা হয়। কারণ তাদের প্রতি ভক্তদের ভালোবাসা এতই অন্ধ যে খারাপ যেকোন দিক সহজেই বাইপাস করে যেতে পারে।
সাহাবীদের গল্প পড়তে গিয়ে মাঝে মাঝে হোঁচট খাওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের কাউকে কাউকে আপনি এমন কাজ করতে দেখবেন যা হয়তো সাহাবীগণ দূরে থাকুন, যেকোন ধার্মিক মুসলিমের কাছেও আমরা প্রত্যাশা করি না। এই দেখবেন যে কেউ হয়তো আচমকা মদ খেয়ে বসেছেন। আবার দেখবেন কেউ হয়তো ব্যাভিচারের মত জঘন্য কাজেও পা দিয়ে ফেলেছেন। কেউ কেউ এমন মারাত্মক প্র্যাক্টিকেল জোক করে বসছেন যা করার কথা আমরা চিন্তাও করতে পারি না। একজন সাহাবী গোপনে মদীনা থেকে মক্কার ক্বুরায়শদের কাছে মুসলিমদের যুদ্ধাব্যাবস্থার প্ল্যানও ফাঁস করে দেওয়ার উপক্রম করেছেন! আমাদের সময়ে কেউ এমনটি করলে ফাঁসির দড়ি এড়ানো খুবই মুশকিল হয়ে যেত।
ঘুণাক্ষরেও ভাববেন না যে আমি তাদের প্রতি কোন বিদ্বেষ পুষে রেখে এসব বলছি। আল্লাহ্ আমাকে তেমন দূর্বৃত্তিপনা থেকে নিষ্কৃতি দিন! আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তারা হচ্ছেন পৃথিবীর বুকে পা রাখা মানুষদের মাঝে শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) নিজে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে গেছেনঃ “মানুষদের মাঝে শ্রেষ্ঠ হল আমার প্রজন্ম”। অর্থাত সাহাবীরা। হাদীসটি বুখারীতে এসেছে। Read the rest of this entry
The Vicious Cycle of Piety Overdose
Years back one of my friends, who happens to be a very pious and wise muslim mashaAllah, told me a mind-boggling story. His sister informed him that in one of the leading private universities inBangladesh, there are three groups of muslim women who go to pray in the university’s praying hall (restricted to women of course).
The Hijabis doing the Niqab (face veil), the non-Niqabi Hijabis, and non-Hijabis. Apparently the non-Hijabis are the ones who come out easily from the praying hall with minimum fuss. On the other hand the Niqabis and non-Niqabi (the two subsections of Hijabis) have a hard time praying as they often fall into disputations over numerous minor Islamic rulings and often finish their prayer only after a good tug of war to decide which of them has the ultimate right to claim super-piety. I was equally amused and saddened really to know about this and didn’t know what to make of it. Read the rest of this entry
আমাদের মানসিকতা এবং ইসলাম
একজন মানুষের মানসিকতা বলতে ঠিক কী বোঝায়? মোটামুটিভাবে কারও চিন্তা করার ধরণ, তার বিচার-বিবেচনা, তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ইত্যাদি মিলে মনের ভেতরের যে অবস্থাটা তাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে পরিচালিত করে, সেটাকেই বলা যাতে পারে তার মানসিকতা। আমরা যখন কারও মানসিকতা বোঝার চেষ্টা করি, বা বুঝতে পেরেছি বলে মনে করি, তাহলে আমরা মোটামুটি বলতে পারব কোন একটা পরিস্থিতিতে পড়লে সে কী করবে, কোন কথাকে কীভাবে গ্রহণ করবে, সে কোনটাকে ভাল মনে করবে আর কোনটাকে খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি। একান্ত বাধ্য করা না করা হলে মানুষের কর্মকাণ্ড তার এই মানসিকতা দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।
এখন কথা হল, এই মানসিকতা কীভাবে তৈরি হয়? প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব কিছুকে জন্মগত বা জীনগত বৈশিষ্ট্যও বলা যায়। যেমন কেউ হয়ত একটু কোমল স্বভাবের, কারও হয়ত রাগ বেশি, কেউ হয়ত মিশুক, কেউ অন্যদের সহজেই হাসাতে পারে, কেউ একটু বেশি সাহসী ধরণের ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব ব্যাপার চেষ্টা করে গ্রহণযোগ্য একটা পর্যায়ে হয়ত নিয়ে যাওয়া যায়। তবুও একটা নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যাওয়া যায় না। যেমন রাগী মানুষেরা হয়ত চেষ্টা করে রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। তবে একেবারে নিজের ভেতর থেকে বাদ দিয়ে দিতে পারবে না। বা আমি চেষ্টা করলেই অন্যদের হাসানোর বৈশিষ্ট্যটা আয়ত্ত করতে পারব না। আমাদের মানসিকতা বা স্বভাবের একটা বড় উপাদান হল এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলি।
কিন্তু এরপরেও মানুষের মানসিকতার আরও বড় একটা অংশ বাকী রয়ে যায়, যা জন্ম থেকেই সে নিয়ে আসে না, বরং জীবনের বিভিন্ন ধাপে ধীরে ধীরে তৈরি হয়। কীভাবে তৈরি হয়? তার চারপাশের পরিবেশ থেকে। যে পরিবেশে সে থাকে, সেই পরিবেশই তাকে শেখায় কোনটা ভাল, কোনটা খারাপ, কোনটা সঠিক, কোনটা ভুল, ন্যায়-অন্যায়, ভদ্রতা-অভদ্রতা ইত্যাদি এমন আরও অনেক ছোট বড় বিষয়। সাধারণভাবে বলা যায়, যে যেমন পরিবেশে থাকবে, তার মধ্যে সেরকম মানসিকতাই গড়ে উঠবে। Read the rest of this entry
আপনি কোন গোলপোস্টে গোল করতে চান?
এখন ইউরো কাপ চলছে, তাই অনেকেই মেতে আছেন ফুটবল খেলা নিয়ে। এই সুযোগে আজ তাহলে একটু কথা বলেই ফেলি ফুটবল খেলা নিয়ে। আপনার মনে হতে পারে একটা ইসলামিক ব্লগে আমি ফুটবল খেলা নিয়ে কথা বলছি, এটা আবার কিভাবে এই ব্লগের উদ্দেশ্যের সাথে যায়? আচ্ছা ঠিক আছে, না হয় আমি ফুটবল খেলার ফলাফল নিয়ে কথা বললামনা, কিন্তু এই খেলার কিছু ভাল জিনিস নিয়ে অন্তত আমরা আলোচনা করতে পারি। আমি ফুটবল খেলায় যে মূল জিনিসটি দেখতে পাই তা হচ্ছে এই খেলায় “লক্ষ্য” মাত্র একটি। আর সবাই সেই লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলে পাগলের মত অথবা সৃজনশীল ভাবে যাই বলেননা কেন; লক্ষ্যটা হচ্ছে “গোলপোস্ট”, আর মাধ্যম হচ্ছে “এট্যাক এবং ডিফেন্ড।” নব্বই মিনিটের খেলায় যে যত বেশি গোল করতে পারবে অথবা গোল ঠেকাতে পারবে সেই হবে বিজয়ী। সিম্পল ম্যাথ…!
শিক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে, মাত্র নব্বই মিনিটের এই খেলায় যখন লক্ষ্য এবং টেকটিকস অথবা স্ট্রেটেজী এইসব নিয়ে এত মাথা চুলকাতে (ভাবতে) হয়; তাহলে নব্বই বছরের (যদিও আমাদের গড় বয়স হচ্ছে ৬০ বছর) সমাপ্তিতে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান তা নিয়ে লক্ষ্য, টেকটিকস এবং স্ট্রেটেজী নিয়ে নিশ্চয় ভাববার প্রয়োজনীয়তা আছে, আপনার কি মনে হয়? Read the rest of this entry
Reflections on a Failed Exam
Last week unfortunately was a hard one for me personally. I had failed in my first year final exams at University and will have to be sitting in for a resit in July. While it was a hard time, I remembered during those times that Ibn al-Jawzi used to say that the believer sees signs in everything that he comes across in his life. Having a hard time to get over it, I reflected upon the situation at hand, and thought to myself about a test I am already taking every single day of my life, and the result if bad will never allow me to have a resit!
I firmly remember being in the lab being a “subject” for my lab partners as they were measuring my blood pressure and heart rate when someone exclaimed, “the results are out!” Immediately my heart starting throbbing and my friends taking my blood pressure were saying that it had risen abnormaly! Indeed, there will be a time when another results day will be announced, and Allah records that “On the Day the blast [of the Horn] will convulse [creation]. There will follow it the subsequent [one]. Hearts, that Day, will tremble, their eyes humbled.”[1] Read the rest of this entry
